ঐতিহ্যবাহী বরিশাল ব্রজমোহন বিদ্যালয়ের গৌরবময় ১১ যুগপূর্তি উৎসবকে সফল করতে প্রস্তুতি পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে বিদ্যালয়ের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ১১ যুগপূর্তি উৎসব উদ্যাপন পর্ষদের সভাপতি ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আইনজীবী মীর জাহিদুল কবির জাহিদের সভাপতিত্বে সভায় উৎসব উদ্যাপনের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com এ ছাড়া সভায় আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৭ তারিখে অনুষ্ঠেয় উৎসবের জন্য প্রাক্তন ছাত্রদের নিবন্ধনপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ওপর জোর দেওয়া হয় ও উৎসব পরিচালনার জন্য পুনর্গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। সভায় বরিশালে অবস্থানরত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ করা যায়।সভায় প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে বক্তৃব্য দেন আবুল কালাম শাহিন, মুরাদ আহমেদ, মিন্টু কুমার কর, কাজী মকবুল হোসেন, কমল সেনগুপ্ত, আজমল হোসেন লাবু, মারিফ আহমেদ বাপ্পী, পঙ্কজ রায় চৌধুরী, সভার সভাপতি মীর জাহিদুল কবির জাহিদ। পুনর্গঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন উৎসব উদ্যাপন পর্ষদের সদস্য সচিব ও স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মমিন হাওলাদার। গত সভার ধারা বিবরণী পাঠ করেন শ্যামল সেনগুপ্ত ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শুভঙ্কর চক্রবর্তী।প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কবিউল করিম, জহুরুল আলম মন্টু, দেলোয়ার হোসেন, সাইফুর রহমান মিরন, গোলাম মাসরেক বাবলু, নাসির খান, গাজী সাইফুর রহমান দুলাল, তপন কুমার সাহা, সুশান্ত ঘোষ, কামাল মাসুদুর রহমান, মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুসহ বিভিন্ন উপকমিটির আহ্ববায়ক, যুগ্ম আহ্বায়ক, সদস্যসচিব ও সদস্য।
বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।
সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।