নাগরিক খবর
ই-পেপার
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার
| বর্ষ: ১ | সংখ্যা: ১ | মূল্য: ৫ টাকা | নাগরিক খবর সংস্করণ
বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী আবার বিয়ে না করার শর্তে আজীবন পেনশন পাবেন
বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী আবার বিয়ে না করার শর্তে আজীবন পেনশন পাবেন
বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী আবার বিয়ে
না করার শর্তে আজীবন পেনশন পাবেন
অনলাইন ডেস্ক:
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মৃত সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করার শর্তে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। এ জন্য বছরে একবার পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে। তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে এ অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার শর্ত প্রযোজ্য হবে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আজ রোববার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে, যেগুলো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধায় নতুন হিসাব নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন নিয়মে চাকরিকালের ভিত্তিতে পেনশনের হার হবে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ। বিদ্যমান পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।চাকরিকাল বেশি হলে পেনশনও বেশিনতুন ব্যবস্থায় পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করে পেনশনের হার নির্ধারণ করা হবে।পাঁচ বছর চাকরি হলে পেনশনের হার হবে মূল বেতনের ২১ শতাংশ। এরপর প্রতিবছর চাকরিকালের সঙ্গে পেনশনের হার বাড়বে। ১০ বছর চাকরিতে হার ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ।এ ছাড়া ২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ ও ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ পেনশন পাওয়া যাবে। ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।নিট পেনশনে সর্বোচ্চ ৭০,২০০ টাকাবিদ্যমান পেনশনভোগীদের জন্য গত ৩০ জুন পাওয়া নিট পেনশনের ওপর ভিত্তি করে নতুন পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে। নিট পেনশন ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে নতুন নিট পেনশন হবে ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা।এভাবে ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৭৫ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ১৮ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা। ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৬৫ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ৩৫ হাজার ১ টাকা থেকে ৪৯ হাজার টাকা। ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৬০ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ৪৯ হাজার ১ টাকা থেকে ৬২ হাজার টাকা<bha>;</bha> আর ৮০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি হবে ৫৫ শতাংশ। এ শ্রেণিতে নতুন নিট পেনশন হবে ৬২ হাজার ১ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা। তবে বর্তমানে যাঁরা ৭০ হাজার ২০০ টাকার বেশি নিট পেনশন পাচ্ছেন, তাঁরা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বর্তমান হারেই পেনশন পাবেন। এরপর প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বার্ষিক বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) কার্যকর করা হবে।আনুতোষিকের হার বদলায়নিনতুন প্রজ্ঞাপনে আনুতোষিকের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। পাঁচ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১০ বছরের কম চাকরির ক্ষেত্রে প্রতি টাকায় আনুতোষিক হবে ২৬৫ টাকা। ১০ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১৫ বছরের কম চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৬০ টাকা। ১৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ২০ বছরের কম চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৪৫ টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৩০ টাকা আনুতোষিক পাওয়া যাবে।অবসরে ১৮ মাসের ছুটি নগদায়নঅবসর গ্রহণের সময় সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন করা যাবে। অর্থাৎ ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অবসর-উত্তর ছুটি বা পিআরএল এবং ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে দুই দিনের অর্জিত ছুটিকে এক দিনের গড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তর করা যাবে। পিআরএল ভোগ না করলেও নির্ধারিত শর্তে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে কোনো কর্মচারী স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষম হয়ে পড়লে বা মারা গেলে নির্ধারিত শর্তে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধানও রাখা হয়েছে।

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।

নাগরিক খবর
নাগরিক খবর
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৪৮ পিএম

বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী আবার বিয়ে না করার শর্তে আজীবন পেনশন পাবেন

অর্থনীতি / ব্যাংকিং খাত
অনলাইন ডেস্ক
বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী আবার বিয়ে না করার শর্তে আজীবন পেনশন পাবেন

মৃত সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করার শর্তে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। এ জন্য বছরে একবার পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে। তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবার ক্ষেত্রে এ অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার শর্ত প্রযোজ্য হবে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আজ রোববার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে, যেগুলো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধায় নতুন হিসাব নির্ধারণ করেছে সরকার। নতুন নিয়মে চাকরিকালের ভিত্তিতে পেনশনের হার হবে সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ। বিদ্যমান পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।চাকরিকাল বেশি হলে পেনশনও বেশিনতুন ব্যবস্থায় পেনশনযোগ্য চাকরিকাল ৫ বছর থেকে শুরু করে ২৫ বছর বা তার বেশি সময় পর্যন্ত ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সর্বশেষ আহরিত মূল বেতনের ওপর ভিত্তি করে পেনশনের হার নির্ধারণ করা হবে।পাঁচ বছর চাকরি হলে পেনশনের হার হবে মূল বেতনের ২১ শতাংশ। এরপর প্রতিবছর চাকরিকালের সঙ্গে পেনশনের হার বাড়বে। ১০ বছর চাকরিতে হার ৩৬ শতাংশ, ১৫ বছরে ৫৪ শতাংশ এবং ২০ বছরে ৭২ শতাংশ।এ ছাড়া ২১ বছরে ৭৫ শতাংশ, ২২ বছরে ৭৯ শতাংশ, ২৩ বছরে ৮৩ শতাংশ ও ২৪ বছরে ৮৭ শতাংশ পেনশন পাওয়া যাবে। ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালে পেনশনের হার হবে ৯০ শতাংশ।নিট পেনশনে সর্বোচ্চ ৭০,২০০ টাকাবিদ্যমান পেনশনভোগীদের জন্য গত ৩০ জুন পাওয়া নিট পেনশনের ওপর ভিত্তি করে নতুন পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে। নিট পেনশন ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত হলে বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে নতুন নিট পেনশন হবে ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা।এভাবে ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৭৫ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ১৮ হাজার ১ টাকা থেকে ৩৫ হাজার টাকা। ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৬৫ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ৩৫ হাজার ১ টাকা থেকে ৪৯ হাজার টাকা। ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনে বৃদ্ধি হবে ৬০ শতাংশ। নতুন নিট পেনশন হবে ৪৯ হাজার ১ টাকা থেকে ৬২ হাজার টাকা<bha>;</bha> আর ৮০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশনের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি হবে ৫৫ শতাংশ। এ শ্রেণিতে নতুন নিট পেনশন হবে ৬২ হাজার ১ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা। তবে বর্তমানে যাঁরা ৭০ হাজার ২০০ টাকার বেশি নিট পেনশন পাচ্ছেন, তাঁরা নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বর্তমান হারেই পেনশন পাবেন। এরপর প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী বার্ষিক বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) কার্যকর করা হবে।আনুতোষিকের হার বদলায়নিনতুন প্রজ্ঞাপনে আনুতোষিকের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। পাঁচ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১০ বছরের কম চাকরির ক্ষেত্রে প্রতি টাকায় আনুতোষিক হবে ২৬৫ টাকা। ১০ বছর বা তার বেশি কিন্তু ১৫ বছরের কম চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৬০ টাকা। ১৫ বছর বা তার বেশি কিন্তু ২০ বছরের কম চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৪৫ টাকা এবং ২০ বছর বা তার বেশি চাকরিতে প্রতি টাকায় ২৩০ টাকা আনুতোষিক পাওয়া যাবে।অবসরে ১৮ মাসের ছুটি নগদায়নঅবসর গ্রহণের সময় সর্বোচ্চ ১৮ মাসের ছুটি নগদায়ন করা যাবে। অর্থাৎ ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকবে। অবসর-উত্তর ছুটি বা পিআরএল এবং ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে দুই দিনের অর্জিত ছুটিকে এক দিনের গড় বেতনের ছুটিতে রূপান্তর করা যাবে। পিআরএল ভোগ না করলেও নির্ধারিত শর্তে এ সুবিধা পাওয়া যাবে।চাকরির মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে কোনো কর্মচারী স্বাস্থ্যগত কারণে অক্ষম হয়ে পড়লে বা মারা গেলে নির্ধারিত শর্তে এককালীন বিশেষ আর্থিক সহায়তার বিধানও রাখা হয়েছে।

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।

নাগরিক খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ নাগরিক খবর। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।