নাগরিক খবর
ই-পেপার
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার
| বর্ষ: ১ | সংখ্যা: ১ | মূল্য: ৫ টাকা | নাগরিক খবর সংস্করণ
দেশজুড়ে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী বিপ্লব: হয়রানি মুক্ত সেবা
ডিজিটাল ভূমি সেবা কেন্দ্রের সেবা নিচ্ছেন একজন প্রবীণ নাগরিক।
দেশজুড়ে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী বিপ্লব
হয়রানি মুক্ত সেবা
জাতীয় ডেস্ক:
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের ভূমি কার্যালয়গুলোতে একসময় যে দীর্ঘসূত্রতা ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল, তা ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দূর হতে শুরু করেছে। এখন নাগরিকরা ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপ বা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে খতিয়ান ডাউনলোড ও নামজারি আবেদন করতে পারছেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ডিজিটাল সার্ভে এবং অটোমেটেড মিউটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ শতকরা ৭০ ভাগ কমে এসেছে। জালিয়াতি রোধে প্রতিটি খতিয়ানে কিউআর কোড যুক্ত করা হয়েছে।

সেবাগ্রহীতারা জানান, পূর্বে দালালদের মাধ্যমে লাখ টাকা খরচ করেও মাসের পর মাস ঘুরতে হতো, এখন সরকার নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে নামজারি সম্পন্ন হচ্ছে। কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই নাগরিকরা তাদের সেবা পাচ্ছেন।

সরকার এখন ইউনিয়ন পর্যায়ের ডিজিটাল সেন্টারেও বায়োমেট্রিক অথেনটিকেশন ব্যবস্থা সংযুক্ত করছে, যার মাধ্যমে প্রবাসী ও বয়োবৃদ্ধ নাগরিকরাও নির্বিঘ্নে তাদের জমিজমা তদারকি করতে পারবেন।

নাগরিক খবর
নাগরিক খবর
প্রিন্ট এর তারিখঃ ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৪:৪৩ পিএম

দেশজুড়ে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী বিপ্লব: হয়রানি মুক্ত সেবা

জাতীয় / নাগরিক সমস্যা
জাতীয় ডেস্ক
দেশজুড়ে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী বিপ্লব: হয়রানি মুক্ত সেবা
ডিজিটাল ভূমি সেবা কেন্দ্রের সেবা নিচ্ছেন একজন প্রবীণ নাগরিক।

দেশের ভূমি কার্যালয়গুলোতে একসময় যে দীর্ঘসূত্রতা ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল, তা ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দূর হতে শুরু করেছে। এখন নাগরিকরা ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপ বা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে খতিয়ান ডাউনলোড ও নামজারি আবেদন করতে পারছেন।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, ডিজিটাল সার্ভে এবং অটোমেটেড মিউটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ শতকরা ৭০ ভাগ কমে এসেছে। জালিয়াতি রোধে প্রতিটি খতিয়ানে কিউআর কোড যুক্ত করা হয়েছে।

সেবাগ্রহীতারা জানান, পূর্বে দালালদের মাধ্যমে লাখ টাকা খরচ করেও মাসের পর মাস ঘুরতে হতো, এখন সরকার নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে নামজারি সম্পন্ন হচ্ছে। কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই নাগরিকরা তাদের সেবা পাচ্ছেন।

সরকার এখন ইউনিয়ন পর্যায়ের ডিজিটাল সেন্টারেও বায়োমেট্রিক অথেনটিকেশন ব্যবস্থা সংযুক্ত করছে, যার মাধ্যমে প্রবাসী ও বয়োবৃদ্ধ নাগরিকরাও নির্বিঘ্নে তাদের জমিজমা তদারকি করতে পারবেন।

নাগরিক খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ নাগরিক খবর। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।