দেশের বৈদ্যুতিক পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এমইপি গ্রুপ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে। এই অর্থ বিনিয়োগে কোম্পানিটি সেখানে ১০ একর জমিতে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদনের কারখানা নির্মাণ করবে। এ কারখানায় লাইটিং, সুইচ-সকেট, সার্কিট ব্রেকার, ফ্যান, কেব্লসসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করা হবে।আজ রোববার রাজধানী ঢাকার র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যবসা সম্প্রসারণে এই পরিকল্পনা নিজেদের পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের জানিয়েছে এমইপি গ্রুপ। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে এমইপি গ্রুপ।এমইপি জানিয়েছে, এমইপি সরঞ্জামের বিশেষ অফারের সেরা অর্জনকারীদের সংবর্ধনা শীর্ষক অনুষ্ঠানে ৮০ জন বিজয়ীকে ৭৮টি মোটরসাইকেল ও ২টি ফ্রিজ দেওয়া হয়।এফবিসিসিআই প্রশাসক মো. ফজলুল হক বলেন, ‘এমইপি বাংলাদেশের অন্যতম পুরোনো বৈদ্যুতিক পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে তাদের এই নতুন বিনিয়োগ উন্নত মানের পণ্য উৎপাদনের পাশাপাশি শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।এমইপি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদার বলেন, ‘নতুন কারখানাটি শুধু আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রকল্প নয়; এটি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বাজার সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। ব্যবসায়িক অংশীদার ও গ্রাহকদের সঙ্গে নিয়ে আমরা এমইপিকে এই খাতের শীর্ষ স্থানে নিয়ে যেতে চাই।’অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এমইপি গ্রুপের পরিচালক শকিল আলম চাকলাদার।এমইপি গ্রুপ জানায়, তাদের এমইপি অ্যাকসেসরিজের বিশেষ অফারটি চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চলবে।
বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।
সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।