নাগরিক খবর
ই-পেপার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার
| বর্ষ: ১ | সংখ্যা: ১ | মূল্য: ৫ টাকা | নাগরিক খবর সংস্করণ
আজ কারিনা কাপুরের জন্মদিন, ছবিতে দেখুন তাঁর জীবনের গল্প
আজ কারিনা কাপুরের জন্মদিন, ছবিতে দেখুন তাঁর জীবনের গল্প
আজ কারিনা কাপুরের জন্মদিন, ছবিতে
দেখুন তাঁর জীবনের গল্প
অনলাইন ডেস্ক:
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কারিনা কাপুরের জন্ম ১৯৮০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, ভারতের মুম্বাইয়ে। অভিনেতা রণধীর কাপুর ও অভিনেত্রী ববিতা কাপুরের ছোট মেয়ে কারিনার বড় বোন অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর। অর্থাৎ বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী কাপুর পরিবারের উত্তরসূরিকারিনার দাদা রাজ কাপুর ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তিতুল্য অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। তারও আগে তাঁর প্রপিতামহ পৃথ্বীরাজ কাপুর ছিলেন ভারতীয় থিয়েটার ও সিনেমার অগ্রদূতদের একজনকারিনা কাপুরের অভিনয়ে অভিষেক ২০০০ সালে ‘রিফিউজি’ সিনেমার মাধ্যমে। তাঁর বিপরীতে ছিলেন অভিষেক বচ্চন‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর ‘পু’ চরিত্র তাঁকে তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় করে তোলে। প্রতিষ্ঠিত করে স্টাইল আইকন হিসেবে। এখনো বলিউডের বড় পর্দার সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সারদের একজন হিসেবে ধরা হয় ‘পু’কেআরেকটি এ রকম আইকনিক চরিত্র হলো ‘জাব উই মেট’-এর গীতপরবর্তী সময়ে ‘চামেলি’, ‘তালাশ’ ও ‘ওমকারা’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে কারিনা সমালোচকদের হাততালি কুড়িয়েছেনকারিনা ও তাঁর চেয়ে ১১ বছরের বড় সাইফ আলী খানের প্রেমের শুরু ২০০৭ সালে, ‘তাশান’ সিনেমার শুটিংয়ে। একই সময় কারিনা ‘জাব উই মেট’ সিনেমার শুটিংও করছিলেন। আর সেই সেটে বিচ্ছেদ হয়েছিল শহীদ কাপুরের সঙ্গে। ‘জাব উই মেট’ বলিউডের অন্যতম হিট সিনেমা। অন্যদিকে ‘তাশান’ ফ্লপ করলেও সেখান থেকেই কারিনা পেয়েছিলেন নিজের জীবনসঙ্গীপাঁচ বছর প্রেমের পর ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর মুম্বাইয়ে সাইফের বান্দ্রার বাসভবনে বিয়ে হয় সাইফিনার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরাসেই সময় কারিনার বয়স ছিল ৩২ আর সাইফের ৪২ বছর। বিয়ের পর থেকে তাঁরা ‘রয়্যাল কাপল’ হিসেবে জনপ্রিয়তা পানতাঁদের প্রথম সন্তান তৈমুর আলী খানের জন্ম ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর। দ্বিতীয় সন্তান জাহাঙ্গীর আলী খানের জন্ম ২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিসাইফের প্রথম স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের দুই সন্তান সারা আলী খান ও ইব্রাহিম আলী খানও সাইফ-কারিনার পরিবারের অংশ। কারিনার সঙ্গে সারা ও ইব্রাহিমের সম্পর্কও বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ বলে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে এসেছেইব্রাহীম, তৈমুর ও জেহ—তিন ভাইএক ফ্রেমে সাইফ আলী খান ও তাঁর সন্তানেরাকারিনা ও সাইফকে একসঙ্গে ডাকা হয় সাইফিনা। মুম্বাইয়ে এই জুটি বেশ বিলাসবহুল জীবন যাপন করেনবিয়ের পর এই জুটি মুম্বাইয়ের বান্দ্রার ফরচুন হাইটসে ছিলেন। পরে আরও বিলাসবহুল, সৎগুরু শরণ নামের বাসভবনে চলে যান। বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই নতুন বাড়ির মূল্য ১০০ কোটি রুপির বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছেএ ছাড়া সুইজারল্যান্ডে অবকাশযাপনের জন্য আরেকটি বাড়ি আছে এই জুটির। সেটি তাঁরা ৩৩ কোটি রুপি দিয়ে কিনেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমেসাইফ ও কারিনার সংগ্রহে আছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ, অডি কিউ৭, রেঞ্জ রোভার স্পোর্ট, ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার ১১০, জিপ র‍্যাংলারের মতো বিলাসবহুল গাড়িসম্প্রতি সাইফ আলী খানের ৫৬তম জন্মদিনে কারিনা তাঁদের দুজনের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, সাইফের ছবি প্রকাশের জন্য নাকি তাঁর থেকে অনুমোদন নিতে হয়। আবার এ-ও জানিয়েছেন, তিনি যে ইনস্টাগ্রামে সাইফের ছবি পোস্ট করে ভক্তদের আপডেট জানান, এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকা সাইফ খুবই পছন্দ করেনপারিবারিক অবকাশযাপনএকেবারেই পারিবারিক ছবিকারিনার গয়নার সংগ্রহও বেশ আকর্ষণীয়। ২০১২ সালে বিয়ের সময় সাইফ তাঁকে ৫ ক্যারেটের একটি ডায়মন্ড রিং উপহার দিয়েছিলেনএ ছাড়া উত্তরাধিকারসূত্রে শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুরের বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী গয়নাও পেয়েছেন। আর বিশ্বের নামীদামি ব্র্যান্ডের গয়না, ব্যাগ তো আছেইকারিনার ক্যারিয়ারকে শুধু ‘স্টার কিড’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যাবে না কিছুতেই। দীর্ঘ দুই দশক নিজেকে প্রাসঙ্গিক রাখা, বাণিজ্যিক ও অফবিট—দুই ধরনের সিনেমায় কাজ করা, বিয়ের পর ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়া এবং দুই সন্তানের মা হওয়ার পরও সক্রিয় থাকা—সব মিলিয়ে কারিনা তাঁর ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণাসূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া, মিড-ডে ও ফিল্মফেয়ার

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।

নাগরিক খবর
নাগরিক খবর
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৯ এএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৮ এএম

আজ কারিনা কাপুরের জন্মদিন, ছবিতে দেখুন তাঁর জীবনের গল্প

জাতীয় / সংসদ সংবাদ
অনলাইন ডেস্ক
আজ কারিনা কাপুরের জন্মদিন, ছবিতে দেখুন তাঁর জীবনের গল্প

কারিনা কাপুরের জন্ম ১৯৮০ সালের ২১ সেপ্টেম্বর, ভারতের মুম্বাইয়ে। অভিনেতা রণধীর কাপুর ও অভিনেত্রী ববিতা কাপুরের ছোট মেয়ে কারিনার বড় বোন অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর। অর্থাৎ বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী কাপুর পরিবারের উত্তরসূরিকারিনার দাদা রাজ কাপুর ভারতীয় সিনেমার কিংবদন্তিতুল্য অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক। তারও আগে তাঁর প্রপিতামহ পৃথ্বীরাজ কাপুর ছিলেন ভারতীয় থিয়েটার ও সিনেমার অগ্রদূতদের একজনকারিনা কাপুরের অভিনয়ে অভিষেক ২০০০ সালে ‘রিফিউজি’ সিনেমার মাধ্যমে। তাঁর বিপরীতে ছিলেন অভিষেক বচ্চন‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর ‘পু’ চরিত্র তাঁকে তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় করে তোলে। প্রতিষ্ঠিত করে স্টাইল আইকন হিসেবে। এখনো বলিউডের বড় পর্দার সর্বকালের সবচেয়ে প্রভাবশালী ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সারদের একজন হিসেবে ধরা হয় ‘পু’কেআরেকটি এ রকম আইকনিক চরিত্র হলো ‘জাব উই মেট’-এর গীতপরবর্তী সময়ে ‘চামেলি’, ‘তালাশ’ ও ‘ওমকারা’র মতো সিনেমায় অভিনয় করে কারিনা সমালোচকদের হাততালি কুড়িয়েছেনকারিনা ও তাঁর চেয়ে ১১ বছরের বড় সাইফ আলী খানের প্রেমের শুরু ২০০৭ সালে, ‘তাশান’ সিনেমার শুটিংয়ে। একই সময় কারিনা ‘জাব উই মেট’ সিনেমার শুটিংও করছিলেন। আর সেই সেটে বিচ্ছেদ হয়েছিল শহীদ কাপুরের সঙ্গে। ‘জাব উই মেট’ বলিউডের অন্যতম হিট সিনেমা। অন্যদিকে ‘তাশান’ ফ্লপ করলেও সেখান থেকেই কারিনা পেয়েছিলেন নিজের জীবনসঙ্গীপাঁচ বছর প্রেমের পর ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর মুম্বাইয়ে সাইফের বান্দ্রার বাসভবনে বিয়ে হয় সাইফিনার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরাসেই সময় কারিনার বয়স ছিল ৩২ আর সাইফের ৪২ বছর। বিয়ের পর থেকে তাঁরা ‘রয়্যাল কাপল’ হিসেবে জনপ্রিয়তা পানতাঁদের প্রথম সন্তান তৈমুর আলী খানের জন্ম ২০১৬ সালের ২০ ডিসেম্বর। দ্বিতীয় সন্তান জাহাঙ্গীর আলী খানের জন্ম ২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিসাইফের প্রথম স্ত্রী অমৃতা সিংয়ের দুই সন্তান সারা আলী খান ও ইব্রাহিম আলী খানও সাইফ-কারিনার পরিবারের অংশ। কারিনার সঙ্গে সারা ও ইব্রাহিমের সম্পর্কও বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ বলে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে এসেছেইব্রাহীম, তৈমুর ও জেহ—তিন ভাইএক ফ্রেমে সাইফ আলী খান ও তাঁর সন্তানেরাকারিনা ও সাইফকে একসঙ্গে ডাকা হয় সাইফিনা। মুম্বাইয়ে এই জুটি বেশ বিলাসবহুল জীবন যাপন করেনবিয়ের পর এই জুটি মুম্বাইয়ের বান্দ্রার ফরচুন হাইটসে ছিলেন। পরে আরও বিলাসবহুল, সৎগুরু শরণ নামের বাসভবনে চলে যান। বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই নতুন বাড়ির মূল্য ১০০ কোটি রুপির বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছেএ ছাড়া সুইজারল্যান্ডে অবকাশযাপনের জন্য আরেকটি বাড়ি আছে এই জুটির। সেটি তাঁরা ৩৩ কোটি রুপি দিয়ে কিনেছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে একাধিক ভারতীয় গণমাধ্যমেসাইফ ও কারিনার সংগ্রহে আছে মার্সিডিজ-বেঞ্জ, অডি কিউ৭, রেঞ্জ রোভার স্পোর্ট, ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডার ১১০, জিপ র‍্যাংলারের মতো বিলাসবহুল গাড়িসম্প্রতি সাইফ আলী খানের ৫৬তম জন্মদিনে কারিনা তাঁদের দুজনের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করে লিখেছেন, সাইফের ছবি প্রকাশের জন্য নাকি তাঁর থেকে অনুমোদন নিতে হয়। আবার এ-ও জানিয়েছেন, তিনি যে ইনস্টাগ্রামে সাইফের ছবি পোস্ট করে ভক্তদের আপডেট জানান, এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকা সাইফ খুবই পছন্দ করেনপারিবারিক অবকাশযাপনএকেবারেই পারিবারিক ছবিকারিনার গয়নার সংগ্রহও বেশ আকর্ষণীয়। ২০১২ সালে বিয়ের সময় সাইফ তাঁকে ৫ ক্যারেটের একটি ডায়মন্ড রিং উপহার দিয়েছিলেনএ ছাড়া উত্তরাধিকারসূত্রে শাশুড়ি শর্মিলা ঠাকুরের বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী গয়নাও পেয়েছেন। আর বিশ্বের নামীদামি ব্র্যান্ডের গয়না, ব্যাগ তো আছেইকারিনার ক্যারিয়ারকে শুধু ‘স্টার কিড’ হিসেবে ব্যাখ্যা করা যাবে না কিছুতেই। দীর্ঘ দুই দশক নিজেকে প্রাসঙ্গিক রাখা, বাণিজ্যিক ও অফবিট—দুই ধরনের সিনেমায় কাজ করা, বিয়ের পর ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়া এবং দুই সন্তানের মা হওয়ার পরও সক্রিয় থাকা—সব মিলিয়ে কারিনা তাঁর ও পরবর্তী প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণাসূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া, মিড-ডে ও ফিল্মফেয়ার

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।

নাগরিক খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ নাগরিক খবর। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।