নাগরিক খবর
ই-পেপার
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার
| বর্ষ: ১ | সংখ্যা: ১ | মূল্য: ৫ টাকা | নাগরিক খবর সংস্করণ
‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’
‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’
‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি
মরে গেছে জানি না’
অনলাইন ডেস্ক:
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলা থেকে গ্যাসের সিলিন্ডার ভর্তি কাভার্ড ভ্যান নিয়ে আশুলিয়া এসেছিলেন ইমতিয়াজ কাজী (১৮)। তিনি ওই কাভার্ড ভ্যানের চালকের সহকারী। গতকাল রোববার আশুলিয়ার একটি কারখানা চত্বরে বিস্ফোরণের পর তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিজেকে ইমতিয়াজের বাবা পরিচয় দিয়ে কথাগুলো বললেন সাইফুল ইসলাম। তিনি রাজধানীর মুগদা থানার উত্তর মান্ডা এলাকায় থাকেন বলে জানান।সাইফুল ইসলাম বলছেন, কাভার্ড ভ্যান চালাতেন তাঁর শ্যালিকার ছেলে নুর ইসলাম। গতকাল রাতের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। তবে ছেলে ইমতিয়াজের খোঁজ পাচ্ছেন না। ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেও ছেলের সন্ধান পাচ্ছেন না বলে সাইফুল ইসলাম দাবি করেন।আজ সোমবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে সাইফুল ইসলাম আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ১ নম্বর ফটকের সামনে আহাজারি করতে থাকেন। স্থানীয় কিছু লোক তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।বিস্ফোরণের পর আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। রোববার রাতে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায়এ সময় জানতে চাইলে প্রথম আলোকে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না, খোঁজ পাচ্ছি না। সবাইকে খুঁজে পাচ্ছে, আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার ছেলেকে খুঁজে দেন।’সাইফুল ইসলামের ভাষ্য, ছেলে ইমতিয়াজ গতকাল কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে এই কারখানায় এসেছিলেন। তার পর থেকে তাঁর খোঁজ পাচ্ছেন না। কারখানার নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা কোনো সদুত্তর দিতে পারছেন না।গতকাল রাতে আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানা চত্বরে গ্যাসভর্তি একটি কাভার্ড ভ্যানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৭ জন নিহত হন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন।‘আব্বার ভ্যান পাইছি, কিন্তু আব্বারে আর পাইলাম না’

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।

নাগরিক খবর
নাগরিক খবর
প্রিন্ট এর তারিখঃ ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম  ||  প্রকাশের তারিখঃ ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:০০ পিএম

‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’

জাতীয় / সংসদ সংবাদ
অনলাইন ডেস্ক
‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না’

ভোলা থেকে গ্যাসের সিলিন্ডার ভর্তি কাভার্ড ভ্যান নিয়ে আশুলিয়া এসেছিলেন ইমতিয়াজ কাজী (১৮)। তিনি ওই কাভার্ড ভ্যানের চালকের সহকারী। গতকাল রোববার আশুলিয়ার একটি কারখানা চত্বরে বিস্ফোরণের পর তাঁকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিজেকে ইমতিয়াজের বাবা পরিচয় দিয়ে কথাগুলো বললেন সাইফুল ইসলাম। তিনি রাজধানীর মুগদা থানার উত্তর মান্ডা এলাকায় থাকেন বলে জানান।সাইফুল ইসলাম বলছেন, কাভার্ড ভ্যান চালাতেন তাঁর শ্যালিকার ছেলে নুর ইসলাম। গতকাল রাতের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি। তবে ছেলে ইমতিয়াজের খোঁজ পাচ্ছেন না। ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেও ছেলের সন্ধান পাচ্ছেন না বলে সাইফুল ইসলাম দাবি করেন।আজ সোমবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে সাইফুল ইসলাম আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের ১ নম্বর ফটকের সামনে আহাজারি করতে থাকেন। স্থানীয় কিছু লোক তাঁকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।বিস্ফোরণের পর আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। রোববার রাতে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায়এ সময় জানতে চাইলে প্রথম আলোকে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মানিক বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে জানি না, খোঁজ পাচ্ছি না। সবাইকে খুঁজে পাচ্ছে, আমার ছেলেকে খুঁজে পাচ্ছি না। আমার ছেলেকে খুঁজে দেন।’সাইফুল ইসলামের ভাষ্য, ছেলে ইমতিয়াজ গতকাল কাভার্ড ভ্যানে গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে এই কারখানায় এসেছিলেন। তার পর থেকে তাঁর খোঁজ পাচ্ছেন না। কারখানার নিরাপত্তাকর্মীদের কাছে জানতে চাইলে তাঁরা কোনো সদুত্তর দিতে পারছেন না।গতকাল রাতে আশুলিয়ার প্রিটি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানা চত্বরে গ্যাসভর্তি একটি কাভার্ড ভ্যানে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৭ জন নিহত হন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন।‘আব্বার ভ্যান পাইছি, কিন্তু আব্বারে আর পাইলাম না’

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।

নাগরিক খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক: শামীম আহমেদ | বার্তা সম্পাদক: রফিকুল ইসলাম

© ২০২৬ নাগরিক খবর। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।