ডিসেম্বরের মধ্যে আলোচনা শেষ করতে চায় সংবিধান সংশোধন কমিটি: সালাহউদ্দিন আহমদ
আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সংবিধান সংশোধন নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শেষ করতে পারবে বলে মনে করছে জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। ইতিমধ্যে কমিটি প্রতিবেদন তৈরির কাজও শুরু করেছে। আজ রোববার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ কথা বলেছেন। আজ বৈঠকে জুলাই সনদে সই করা ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোটকে মতবিনিময়ের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে সব কটি দল এ মতবিনিময়ে অংশ নেয়নি। এই মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করল বিশেষ কমিটি। বৈঠক শেষে মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তাঁরা পর্যায়ক্রমে জুলাই সনদ প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, সাবেক বিচারক, আইনজীবী, সংবিধানবিশেষজ্ঞ, জুলাই যোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন। তাঁদের বক্তব্য ধারণ করে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে এগিয়ে যাবে কমিটি। জুলাই সনদের বাইরে আরও কিছু পরিপূরক প্রস্তাব এলে সেগুলো তাঁরা পরামর্শ হিসেবে নেবেন। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে যেসব অঙ্গীকার আছে, সেগুলোও ধারণ করা হবে। তারপর সংসদে প্রতিবেদন দেবে কমিটি।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা খুব দ্রুতগতিতে আগাতে চাই। সম্ভব হলে আমরা প্রতি সপ্তাহে একটি বৈঠকের আয়োজন করব।’আজ বৈঠকের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বৈঠকে জুলাই সনদে সই করা ২৬টি দল ও জোটকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বৈঠকে ১৫টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। একটি দল লিখিত বক্তব্য দিয়েছে, আরেকটি দলের প্রতিনিধি জানিয়েছেন অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘আমরা মোটামুটি ১৭টি রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণের কথা বলতে পারি।’সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সব কটি দল যত দ্রুত সম্ভব জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার কথা বলেছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতার মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন করা গেলে জাতি বুঝতে পারবে জুলাই সনদ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই সনদ নোট অব ডিসেন্টসহ (ভিন্নমত) যেভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাঁরা সেভাবে সেটা বাস্তবায়ন করবেন।বিরোধী দলবিহীন আরেকটি সংবিধান সংশোধনী আইনি ঝামেলা তৈরি করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটিতে অংশগ্রহণ করছে না। কিন্তু সংবিধান সংশোধনী বিল যখন আসবে, তখন তারা অংশগ্রহণ করবে না, সেই কথা বলেনি।বিশেষ কমিটির সভাপতি আরও বলেন, আজ বৈঠকে তাঁরা সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। তারা (দলগুলো) বলেছে, কিছু কিছু রাজনৈতিক দল মাঠের রাজনীতিতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে যে বিএনপি সংখ্যাধিক্যের কারণে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় না। যেটা সম্পূর্ণ অসত্য।সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব, যেভাবে স্বাক্ষরিত, সেভাবে। আমরা যত দ্রুত সম্ভব সংবিধান সংশোধন...এটা নিয়ে আসার চেষ্টা করব। আলাপ–আলোচনা চলতে থাকবে। ইতিমধ্যে আমরা সবার পরামর্শ গ্রহণ করে রিপোর্ট প্রণয়নের কাজ চালু রেখেছি। এটা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা রিপোর্টটা সংসদে উপস্থাপন করতে পারব।’বিশেষ কমিটি সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার পর সেটা আইন মন্ত্রণালয় বিল আকারে সংসদে আনবে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, তাঁরা আশা করেন, তখন দীর্ঘ বিতর্কের মধ্য দিয়ে সমঝোতা হবে। তাঁরা চান, আলোচনা ও সমঝোতার মধ্য দিয়ে সংবিধান সংশোধন হবে।‘একপাক্ষিক হচ্ছে না, ১৭ পাক্ষিক হচ্ছে’জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বেশ কিছু দল এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে নেই। শেষ পর্যন্ত সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়াটা একপক্ষীয় হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘না একপাক্ষিক হচ্ছে না, ১৭ পাক্ষিক হচ্ছে।’ তিনি বলেন, যারা জুলাই সনদে সই করেনি বা ইসিতে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত অন্য দলগুলোও যদি আলোচনা করতে চায়, সে ক্ষেত্রে বিশেষ কমিটির দ্বার উন্মুক্ত। কারও কোনো বক্তব্য লিখিতভাবে দিলে, তাঁরা সেটা বিবেচনা করবেন।আজ মতবিনিময়ে যারা অংশ নিয়েছে, তারা বিএনপির সমমনা। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন বলেছে, তারা মতবিনিময় বর্জন করেছে। তাহলে এটা একপক্ষীয় হচ্ছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এখানে যারা আছে, সবাই বিএনপির সমমনা নয়।বিরোধী দলবিহীন আরেকটি সংবিধান সংশোধনী আইনি ঝামেলা তৈরি করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধনের বিশেষ কমিটিতে অংশগ্রহণ করছে না। কিন্তু সংবিধান সংশোধনী বিল যখন আসবে, তখন তারা অংশগ্রহণ করবে না, সেই কথা বলেনি।
বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।
সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।
-
দ্বিতীয় স্ত্রীর মামার করা হত্যাচেষ্টা মামলায় আদালতে জামিননামা দাখিল করেছেন এমপি গাজী নজরুল
-
পাঠচক্রের আসরে সাহিত্য, দর্শন ও জীবনের নানা প্রশ্ন
-
জাল সনদে চাকরি, ১৮ বছরে ‘বেতন–ভাতা’ বাবদ নেওয়া ৪২ লাখ টাকা ফেরতের নির্দেশ
-
ময়মনসিংহ মেডিকেলে অগ্নিকাণ্ডে হাসপাতাল প্রশাসনের তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়ল
-
‘লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করা হয়’
-
‘হাম-ডেঙ্গু দুটোতেই আক্রান্ত, ডাক্তার দেখে বলছে পজিশন খারাপ’
-
মা হওয়ার পর ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে কটাক্ষ, সালমানের কড়া জবাব
-
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিভিন্ন পদের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
-
রংপুরে চার খুন: ডিএনএ পরীক্ষার জন্য দুই আসামিকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে
-
এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার
-
৮ বছর পর ওয়ানডেতে ক্রেমার, সবচেয়ে বেশি বিরতি দিয়ে ফেরার রেকর্ড কার
-
শিল্পকলা একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, পল্লবীতে বাসে আগুন
-
রাতের খাবার খেয়ে ক্যাম্পের ১০ পুলিশ সদস্য অচেতন, হাসপাতালে ভর্তি
-
‘কোনো বাবাকে যেন আমার মতো সন্তানের লাশ বহন করতে না হয়’
-
তারকা নয় অচেনা গল্পই টরন্টোর নতুন আকর্ষণ