সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

সহশিল্পীর প্রেমে পড়েছিলেন সাবা কামার, অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:৩৪ এএম
৪৫ Shares
পাকিস্তানের অভিনেত্রী সাবা কামার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণত খুব বেশি কথা বলেন না। প্রেম বা বিয়ে নিয়েও তাঁকে প্রকাশ্যে কথা বলতে দেখা যায় কম। তবে এবার

পাকিস্তানের অভিনেত্রী সাবা কামার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সাধারণত খুব বেশি কথা বলেন না। প্রেম বা বিয়ে নিয়েও তাঁকে প্রকাশ্যে কথা বলতে দেখা যায় কম। তবে এবার এক অনুষ্ঠানে নিজের পুরোনো প্রেমের কথা জানালেন অভিনেত্রী। তিনি জানালেন, তিন–চার বছর আগে তিনি তাঁর একটি ছবির সহশিল্পীর প্রেমে পড়েছিলেন। তবে ওই অভিনেতার নাম বলেননি তিনি।লন্ডনে প্রথমবারের মতো ভক্তদের সঙ্গে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে অংশ নেন সাবা। ক্রিয়েটিভ টিমস আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে এসকেটি ওয়েলফেয়ারের জন্য অর্থ সংগ্রহ করা হয়। সেখানেই নিজের পুরোনো প্রেমের কথা জানান অভিনেত্রী।সাবা কামার টিভি সিরিয়ালে স্বামী–স্ত্রীর আলিঙ্গনের দৃশ্য নিয়ে বিতর্কসাবা বলেন, ‘সে এখন বিবাহিত। বিষয়টি সত্যিই অদ্ভুত লাগে। ঘটনাটি অনেক দিন আগের। যদিও হয়তো এতটা আগেও নয়, সম্ভবত দুই বা চার বছর আগে। তবে আমি তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলাম। আমি তাঁর প্রেমে পড়েছিলাম। হয়তো তাঁর চরিত্রের প্রেমে পড়েছিলাম।’সাবা জানান, ওই অভিনেতা টেলিভিশনে তাঁর সহশিল্পী ছিলেন না। একটি ছবিতে তাঁর সঙ্গে কাজ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো টেলিভিশন অভিনেতার কথা বলছি না। আমি একজন চলচ্চিত্র অভিনেতার কথা বলছি।’এরপর নিজের অভিনীত ছবির সংখ্যা মনে করে হেসে ফেলেন সাবা। বলেন, ‘ওহ শিট, আমি তো মাত্র দুই বা চারটি ছবিতে অভিনয় করেছি।’অনুষ্ঠানের সঞ্চালক মজা করে সাবার অভিনীত ছবির তালিকা খুঁজে ওই অভিনেতাকে বের করার কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দ্রুত সাবার ছবির তালিকা বের করুন। গুগলে খুঁজুন।’সাবা অবশ্য তা করতে দেননি। তিনি বলেন, ‘না, দয়া করে এটা বাদ দিন। এটা মুছে দিন। কেউ এটা ব্যবহার করবেন না।’সাবা কামার পুরোনো ঘটনাটি মেনে নিয়েছেন সাবা। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, এমন হয়। আপনি মানুষকে পছন্দ করে ফেলেন, কিন্তু...।’ এরপর ১৪ বছর বয়সী ভাগনির কথা বলেন সাবা। তাঁর ভাষ্য, ভাগনির একটি মজার কথাই তাঁকে বিষয়টি (প্রেম) থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করেছিল।সাবা বলেন, ‘এরপর আমি ঠিক ছিলাম। আমার ১৪ বছর বয়সী ভাগনি আমাকে বলেছিল, “খালা, আপনি তো জঙ্গলে কাজ করছিলেন। আশপাশে কেউ ছিল না। তাই আপনার মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল।”’সাবার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এর পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, কে সেই অভিনেতা। তবে সাবা তাঁর নাম প্রকাশ করেননি।সাবা কামার চলচ্চিত্রে সাবাচলচ্চিত্র ও টেলিভিশন—দুই মাধ্যমেই নিয়মিত কাজ করছেন সাবা কামার। ২০২২ সালে জাহিদ আহমেদের সঙ্গে ‘ঘবরানা নেহি হ্যায়’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। একই বছর সানিয়া সাঈদ ও নিমরা বুচার সঙ্গে ‘কমলি’ ছবিতে অভিনয় করেন। এই ছবির জন্য ২০২৩ সালে লাক্স স্টাইল অ্যাওয়ার্ডে সেরা চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর পুরস্কার পান সাবা।টেলিভিশনে ২০২২ সালে ‘ফ্রড’ ও ‘মিসেস অ্যান্ড মিস্টার শামীম’ ধারাবাহিকে অভিনয় করেন তিনি। ২০২৩ সালে তাঁকে দেখা যায় ‘সার-ই-রাহ’, ‘গুনাহ’, ‘তুমহারে হুসন কে নাম’ ও ‘সিরিয়াল কিলার’-এ।সাবা কামার ২০২৪ সালে ‘পাগলখানা’য় অভিনয় করেন সাবা। ২০২৫ সালে ‘কেস নম্বর ৯’, ‘পামাল’ ও ‘মুয়াম্মা’—তিনটি নাটকে অভিনয় করেন তিনি। ২০২৬ সালে ‘খুদা গওয়াহ’ ধারাবাহিকেও দেখা গেছে তাঁকে। সামনে হাম টিভির ‘হুরমত’ ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন সাবা।ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেও বেশ কিছু আলোচিত কাজ রয়েছে তাঁর। ২০১৭ সালের ‘বাঘি’ ধারাবাহিকে কন্দিল বালোচের চরিত্রে অভিনয় করে লাক্স স্টাইল অ্যাওয়ার্ডে সেরা টিভি অভিনেত্রীর পুরস্কার পান সাবা। ২০১৯ সালের ‘চীক’ ধারাবাহিকেও তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়।সিয়াসাত ডেইলি অবলম্বনে

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।