সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

বদলে যাওয়া সময়ে শিক্ষকের ভূমিকাও অনেক বদলে গেছে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪২ এএম
১২১ Shares
প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮১ তম অ

প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮১ তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান। এইবারের বিষয়টি ছিল — ‘শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের ভূমিকা।' উক্ত অনুষ্ঠানের আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের যুগে শিক্ষার্থীদের জীবনের শিক্ষকের ভূমিকা ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ বলে আপনি মনে করেন? এই প্রশ্নের উত্তরে ডা. ফারজানা রহমান বলেন, শিক্ষক হলেন প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের অন্যতম প্রধান প্রেরণা। আমাদের সমাজে শিশুরা যতই জেমস বন্ড, স্পাইডারম্যান বা সুপারম্যানের ভক্ত হোক না কেন বাস্তব জীবনে তাদের প্রথম আইকন বা আইডল কিন্তু থাকেন তাদের শ্রেণিকক্ষের শিক্ষকগণ। বাবা-মা যত বড় সাইকোলজিস্ট, নিউরোলজিস্ট বা অর্থনীতিবিদই হোন না কেন, শিশুদের কাছে তাদের শিক্ষকের কথাই শেষ কথা।শিশুরা প্রতিদিন একটি বড় সময় প্রায় ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা বিদ্যালয়ে পার করে। তাই এই বদলে যাওয়া সময়ে শিক্ষকের ভূমিকাও অনেক বদলে গেছে। একজন শিক্ষকই সবচেয়ে আগে বুঝতে পারেন কোনো শিক্ষার্থী ঠিক কেমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পড়াশোনায় মনোযোগ কমার কারণটি কি কেবল আলসেমি নাকি অন্য কোনো মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা তা চিহ্নিত করার প্রথম সুযোগটি শিক্ষকের কাছেই আসে। তাই অভিভাবকের পাশাপাশি একজন দায়িত্বশীল শিক্ষকের সচেতন ভূমিকা শিশু মনস্তত্ত্ব গঠনে সবচেয়ে বেশি দরকার।

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।