সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

কুমিল্লায় মা ও ভাতিজিকে নৃশংস হত্যা; ঘাতক আটক

নাগরিক খবর
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
৩০৮ Shares
কুমিল্লার দেবিদ্বারে পারিবারিক কলহের জেরে মা, ভাবি ও ৮ মাসের এক নিষ্পাপ ভাতিজিকে নির্মমভাবে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত যুবক ইমনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা।


সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ১০টায় উপজেলার বড়শালঘর ইউনিয়নের বড়শালঘর গ্রামের দক্ষিণপাড়ায় মোস্তফা মাস্টারের বাড়িতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।


গ্রেপ্তার যুবকের নাম ইমন (২৪)। সে ওই এলাকার প্রয়াত ফরিদ মিয়ার ছেলে। নিহতরা হলেন—ইমনের মা পেয়ারা বেগম, ভাবি রাবেয়া বেগম এবং তাঁর ৮ মাস বয়সী কন্যা সন্তান।


পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ইমনের বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। তর্কের একপর্যায়ে মারাত্মক উত্তেজিত হয়ে ইমন ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে প্রথমে মা পেয়ারা বেগমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে। এরপর সে তার আট মাস বয়সী অবোধ ভাতিজিকে নির্মমভাবে মাটিতে আছড়ে ফেলে হত্যা করে।

এ সময় নিজের সন্তান ও শাশুড়িকে বাঁচাতে ভাবি রাবেয়া বেগম ছুটে এলে পাষণ্ড ইমন তাঁকেও ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাবেয়াকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ঘাতক ইমনকে ধারালো অস্ত্রসহ হাতেনাতে আটক করে দেবিদ্বার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।


হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযুক্ত যুবককে আটক করা হয়েছে। পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ উদঘাটনে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।