রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

চট্টগ্রাম নগরে থানা ভবনের পেছনে ছিনতাই, ভিডিও ভাইরালের পর একজন গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৮ পিএম
১০৩ Shares
চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানা ভবনের পেছনে রিকশাযাত্রীর পথরোধ করে ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম মনির হোসেন। গতকাল শনিবার রাতে

চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানা ভবনের পেছনে রিকশাযাত্রীর পথরোধ করে ছিনতাইয়ের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর নাম মনির হোসেন। গতকাল শনিবার রাতে নগরের বাকলিয়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ছিনতাইয়ের ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় জড়িত আরও দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুর আজ রোববার বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, শনিবার সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে কোতোয়ালি থানার পেছনে সতীশ বাবু লেনে তিনজন ছিনতাইকারী এক রিকশাযাত্রীর গতিরোধ করেন। ছুরির ভয় দেখিয়ে তাঁরা ওই ব্যক্তির টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে। তাঁদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি দুজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।ওসি বলেন, ঘটনার ভুক্তভোগী থানায় কোনো অভিযোগ বা মামলা করেননি। পরে পুলিশ বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা করেছে।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর মনির ছিনতাইয়ে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্যাটারিচালিত রিকশায় বসে থাকা এক যাত্রীর ডান পকেট থেকে জোর করে কিছু একটা বের করার চেষ্টা করছেন দুই ব্যক্তি। এ সময় ওই যাত্রীকে বারবার বলতে শোনা যায়, ‘আরে ভাই, দিতাছি তো।’ তিনি নড়াচড়া করলে একপর্যায়ে একজন তাঁর বাঁ পায়ে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। পরে ছুরি দিয়ে ওই যাত্রীর পকেট কাটতে দেখা যায় তাঁকে।

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।