রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

ইমরান খানের বোন আলিমাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৩২ পিএম
১২৬ Shares
পাকিস্তানের কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ইমরান খানের বোন আলিমা খান সমর্থকদের সঙ্গে। এ বছরের জানুয়ারিতে রাও

পাকিস্তানের কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ইমরান খানের বোন আলিমা খান সমর্থকদের সঙ্গে। এ বছরের জানুয়ারিতে রাওয়ালপিণ্ডির আদিয়ালা কারাগারের বাইরে। পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদে বিক্ষোভ সমাবেশের পরিকল্পনা করছে তাঁর দল। এর আগেই লাহোরে নিজ বাড়ি থেকে ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। রোববার পিটিআই পাঞ্জাব শাখার একজন মুখপাত্র এ তথ্য জানিয়েছেন। লাহোরের জেলা প্রশাসনের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আলিমা খানকে গ্রেপ্তার করে ৩০ দিনের জন্য কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, জনসমক্ষে আলিমার উপস্থিতি জননিরাপত্তার জন্য তীব্র হুমকি তৈরি করবে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি গত শনিবার বলেন, বিক্ষোভ সমাবেশ ও লংমার্চ বন্ধ করতে যা যা করা প্রয়োজন, তার সবই করবে সরকার। এদিকে আলিমা খানকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সমালোচনা হচ্ছে। ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী জুলফি বুখারি এ ধরনের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে ‘একেবারেই জঘন্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘২৭ তারিখের বিক্ষোভ নিয়ে স্পষ্টত ভীতির ছাপ দেখা যাচ্ছে।’‘মানবিকতা কোথায়’: কারাবন্দী ইমরান খানকে নিয়ে ছেলেদের শঙ্কা

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।