রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

শিক্ষার মানোন্নয়নে বাবুডাইং আলোর পাঠশালার উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
৬৫ Shares
শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়মিতকরণ ও শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের বাবুডাইং সূর্যনারায়নপুর গ্রামে এক সচেতনতামূল

শিক্ষার্থীদের স্কুলে নিয়মিতকরণ ও শিক্ষার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের বাবুডাইং সূর্যনারায়নপুর গ্রামে এক সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত বাবুডাইং আলোর পাঠশালার উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত স্থানীয় এক বাড়ির উঠানে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাবুডাইং আলোর পাঠশালায় অধ্যয়নরত বাঙালি পরিবারের শিক্ষার্থীদের মায়েরা অংশ নেন। বৈঠকে আলোচনায় উঠে আসে নিয়মিত স্কুলে না গেলে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার ধারাবাহিকতা হারিয়ে পিছিয়ে পড়ে। শিক্ষকরা মায়েদের উদ্দেশ্যে পরামর্শ দেন সকালে ও সন্ধ্যায় সন্তানদের নিয়মিত পড়তে বসানো। স্কুলে আসার আগে ব্যাগ ও প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ গুছিয়ে দেওয়া এবং পরিচ্ছন্ন পোশাকের দিকে খেয়াল রাখার জন্য। এছাড়া শিশুদের প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও আমিষযুক্ত খাবারের যত্ন নেওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সমস্যায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার আহ্বান জানানো হয়।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন গ্রাম্য মোড়ল তরিকুল ইসলাম, দুলালী বেগম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির (এসএমসি) সদস্য হাবিবা বেগম, প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর, সহকারী প্রধান শিক্ষক লুইশ মুর্মু এবং সিনিয়র শিক্ষক সোনিয়া খাতুন ও নির্মল কোল। অভিভাবকদের পক্ষে বক্তব্য দেন মোমেনা খাতুন, রোজিনা বেগম ও সাথী বেগম।উল্লেখ্য, পদ্মা নদীর ভাঙনে সর্বস্ব হারিয়ে বাবুডাইং সূর্যনারায়নপুর গ্রামে এসে বসতি গড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভৌগোলিকভাবে বিদ্যালয়টি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নে অবস্থিত হলেও এখানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী কয়েকটি গ্রামের শিশুরাও নিয়মিত লেখাপড়া করছে।

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।