শিশুর অবস্থান জানতে কোন ধরনের জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করতে পারেন, জানুন বিস্তারিত
শিশু বাইরে থাকলে সে ঠিক কোথায় আছে, তা জানা থাকলে অভিভাবকের দুশ্চিন্তা কিছুটা কমতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ঘটনায় এই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুর অবস্থান সম্পর্কে ধারণা রাখতে ছোট জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে শিশুদের জন্য ট্র্যাকার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শুধু প্রযুক্তি বা দাম দেখলেই হবে না। ডিভাইসটি ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং যতটা সম্ভব চোখের আড়ালে রাখা যায় কি না, এসবও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, শিশুর হাতে নজরকাড়া স্মার্টওয়াচ থাকলে সেটি নিরাপত্তার বদলে বাড়তি ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে। কীভাবে কাজ করে এসব ট্র্যাকার, কী সুবিধা দেয়, বাংলাদেশে কোন ধরনের ট্র্যাকার পাওয়া যায় এবং কেনার আগে কোন বিষয়গুলো খেয়াল করবেন, জেনে নিন।শিশুর অবস্থান সম্পর্কে ধারণা রাখতে ছোট জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করা যেতে পারেজিপিএস ট্র্যাকারের সুবিধা জিপিএস ট্র্যাকার মূলত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করে তা নির্দিষ্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে অভিভাবকের ফোন বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পাঠায়।এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, শিশু বাইরে থাকার সময় তার সর্বশেষ অবস্থান জানা যায়। কোনো কারণে নির্ধারিত জায়গা থেকে দূরে চলে গেলে জিওফেন্স বা নির্দিষ্ট এলাকার সীমানা অতিক্রমের সতর্কবার্তাও কিছু ট্র্যাকার দিতে পারে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো লোকেশন হিস্ট্রি। অনেক ডিভাইস আগের অবস্থানগুলো সংরক্ষণ করে। ফলে শিশুটি কোন পথ দিয়ে কোথায় গেছে, তার একটি ধারণা পাওয়া যায়।কিছু ট্র্যাকারে আবার এসওএস বাটনও থাকে। শিশু বিপদে পড়লে বাটন চেপে অভিভাবকের কাছে সতর্কবার্তা বা কল পাঠাতে পারে।তবে জিপিএস ট্র্যাকারকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। এটি কেবল শিশুর অবস্থান সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিতে পারে। ডিভাইসের ব্যাটারি শেষ হয়ে যেতে পারে, নেটওয়ার্ক না-ও থাকতে পারে, আবার শিশুর কাছ থেকে ট্র্যাকার খুলেও ফেলা হতে পারে।জিপিএস ট্র্যাকার কীভাবে কাজ করে? অনেকে মনে করেন, জিপিএস স্যাটেলাইট সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে অনুসরণ করে। আদতে বিষয়টি তা নয়।জিপিএস স্যাটেলাইট পৃথিবীর দিকে বেতার সংকেত পাঠায়। ট্র্যাকার সেই সংকেত গ্রহণ করে নিজের অবস্থান হিসাব করে। জিপিএস স্যাটেলাইট নিজে মাটিতে থাকা কোনো ফোন বা ট্র্যাকারকে অনুসরণ করে না।এরপর ট্র্যাকারকে অন্য একটি উপায়ে সেই অবস্থান অভিভাবকের কাছে পাঠাতে হয়। শিশুদের জন্য ব্যবহৃত ফোর-জি জিপিএস ট্র্যাকারগুলো সাধারণত এ কাজের জন্য মোবাইল নেটওয়ার্ক ও সিম ব্যবহার করে।সহজ করে বললে—অনেকে মনে করেন, জিপিএস স্যাটেলাইট সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে অনুসরণ করে। আদতে বিষয়টি তা নয়তাই শুধু ‘জিপিএস আছে’ দেখলেই হবে না। ট্র্যাকারটি কোন মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, ফোর-জি সমর্থন করে কি না, অ্যাপ কেমন, লোকেশন কত ঘন ঘন আপডেট করে এবং ব্যাটারি কতক্ষণ চলে—এসবও দেখতে হবে।লোকেশন নির্ভুলতাও সব জায়গায় একই নয়। খোলা আকাশের নিচে জিপিএস ভালো কাজ করলেও ভবন, গাছপালা, দেয়াল কিংবা ঘরের ভেতরে সংকেত বাধাগ্রস্ত হতে পারে। জিপিএস ডটগভের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ স্মার্টফোন খোলা আকাশে প্রায় ৪ দশমিক ৯ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে অবস্থান দেখাতে পারে; ভবন বা অন্য বাধার কাছে নির্ভুলতা কমে যেতে পারে।দেশের বাজারে কী ধরনের জিপিএস ট্র্যাকার পাওয়া যায় বাংলাদেশের বাজারে শিশু, ব্যক্তি, গাড়ি বা পোষা প্রাণীর জন্য ব্যবহার করা যায়, এমন বিভিন্ন ধরনের ট্র্যাকার পাওয়া যায়। তবে সব ডিভাইস শিশুদের জন্য সমান উপযোগী নয়। বিশেষ করে গাড়ির ট্র্যাকার অনেক সময় গাড়ির ব্যাটারি বা স্থায়ী বিদ্যুৎ–সংযোগের জন্য তৈরি; এসব শিশুর জন্য কেনার আগে ব্যাটারি ও আকার যাচাই করা জরুরি। আর এখানে দরদামের একটি সম্ভাব্য ধারণা দেওয়া হলো, কমবেশি হতে পারে।ছোট, বহনযোগ্য ট্র্যাকার জিএফ-২১জিএফ-২১ জিএসএম মিনি জিপিএস ট্র্যাকারছোট ট্র্যাকারটি বাংলাদেশে ৩ হাজার ৩০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এর আকার প্রায় ২.৫ × ৩.৫ × ১.৫ সেন্টিমিটার এবং ওজন ২০ গ্রাম। এতে জিপিএস, এজিপিএস, ওয়াই–ফাই, এলবিএস পজিশনিং, জিওফেন্স, লোকেশন হিস্ট্রি এবং এসওএসের মতো সুবিধার কথা বলা হয়েছে। তবে একই তালিকায় জিপিএস অ্যাকুরেসি ৫০-৫০০ মিটার পর্যন্ত উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যাটারি ৪৫০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার-আওয়ার (এমএএইচ) এবং ব্যাটারি লাইফ দাবি করা হয়েছে ২-৩ দিনের।এ ধরনের ডিভাইসের আকারে ছোট। শিশুর ব্যাগ, পোশাকের ভেতরের নির্দিষ্ট অংশ বা অন্য কোনো নিরাপদ জায়গায় রাখা তুলনামূলক সহজ। তবে কেনার আগে অ্যাপ, নেটওয়ার্ক সমর্থন, প্রকৃত ব্যাটারি ব্যাকআপ ও লোকেশন আপডেটের মান পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।সাইনোট্র্যাক এসটি-৯০৩সাইনোট্র্যাক এসটি-৯০৩এর দাম ৩ হাজার ৪৫০ টাকা। তালিকাভুক্ত তথ্য অনুযায়ী, এতে ১ হাজার ৫০ এমএএইচ ব্যাটারি, জিওফেন্স, রিয়্যাল-টাইম ট্র্যাকিং এবং আইপি৬৭ ওয়াটারপ্রুফ রেটিং আছে। ব্যাটারি ২০ ঘণ্টার মতো কাজ করে এবং ৭-১০ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই থাকার দাবি করা হয়েছে।ডিভাইসটি ছোট এবং লুকিয়ে রাখা যায়, এ কারণে শিশুর জন্য বিবেচনা করতে পারেন। তবে এটি মূলত ব্যক্তিগত ও যানবাহন—দুই ধরনের ট্র্যাকিংয়ের জন্য বাজারজাত করা হয়। তাই শিশুর জন্য কেনার আগে ডিভাইসটির আকার, বহনের পদ্ধতি এবং অ্যাপের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা উচিত।সাইনোট্র্যাক এসটি-৯১৫সাইনোট্র্যাক এসটি-৯১৫এর দাম দেখাচ্ছে ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা। এতে ১০ হাজার এমএএইচ ব্যাটারি, জিপিএস/এজিপিএস/এলবিএস পজিশনিং, জিওফেন্স, রুট হিস্ট্রি এবং ওয়াটারপ্রুফিংয়ের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া বলা হয়েছে, ব্যাটারি ৭ দিন কাজ করবে, মুভ মোডে ৩০ দিন এবং স্ট্যান্ডবাইয়ে ১২০ দিন সেবা দেবে।তবে এর ওজন প্রায় ২০০ গ্রাম এবং আকার ৭ × ৮ × ২ সেন্টিমিটার। ফলে এটি শিশুর শরীরে লুকিয়ে রাখার জন্য ছোট ট্র্যাকারগুলোর মতো সুবিধাজনক নয়। মূলত গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ যানবাহনের জন্য তৈরি হওয়ায় শিশুর ব্যবহারে আকারটাই বড় সীমাবদ্ধতা।ইজিট্র্যাক্স পিএল২০০ কিডস ট্র্যাকারইজিট্র্যাক্স পিএল২০০ কিডস ট্র্যাকারবাংলাদেশে সরাসরি শিশুদের জন্য বাজারজাত করা একটি ডিভাইস ইজিট্র্যাক্স পিএল২০০। এর দাম ৮ হাজার টাকা। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, এতে ফোর-জি এলটিই, টু-জি ফলব্যাক, জিপিএস/বিডিএস, জিএলওএনএএসএস, এসএএস, দুইমুখী কল, লাইভ ম্যাপ এবং ৯০ দিনের লোকেশন হিস্ট্রি সুবিধা আছে। অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস অ্যাপ এবং ওয়েব ড্যাশবোর্ডও দেওয়া হয়। কোম্পানি এক বছরের ওয়্যারেন্টি দেয় এবং ডিভাইসটি বিটিআরসি অনুমোদিত বলে উল্লেখ করেছে।এ ধরনের ট্র্যাকারের সুবিধা হলো, এর পুরো সিস্টেমই শিশু বা ব্যক্তিগত ট্র্যাকিং মাথায় রেখে তৈরি। তবে দাম তুলনামূলক বেশি। আর কোনো ডিভাইস কেনার আগে বিটিআরসি অনুমোদন, সিম ও ডেটা খরচ, অ্যাপের কার্যকারিতা এবং সেবা চালু রাখতে অতিরিক্ত মাসিক বা বার্ষিক খরচ আছে কি না, এসব পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত।স্মার্টওয়াচের ভেতরের ট্র্যাকার হোকো ওয়াই১০৮হোকো ওয়াই১০৮ -এর মতো ফোর-জি কিডস স্মার্টওয়াচে জিপিএস, এলবিএস ও ওয়াইফাই পজিশনিং, এসওএস কল, সিম কলিং এবং আইপিএক্স৭ ওয়াটারপ্রুফিং সুবিধা আছে। বর্তমানে এর দাম ৩ হাজার ৯৯০ টাকা। ৭৩০ এমএএইচ ব্যাটারির কাজ করে ১-২ দিন।সতর্কতাফিচারের দিক থেকে এসব আকর্ষণীয়। শিশু চাইলে ঘড়ি হিসেবেও ব্যবহার করতে পারে, আবার অভিভাবক লোকেশন দেখতে পারেন। কিন্তু শিশু সুরক্ষার কথা ভাবলে এর দৃশ্যমানতাই সমস্যা হতে পারে। দামি বা নজরকাড়া ঘড়ি শিশুকে অন্যের নজরে আনতে পারে। তাই শুধু দেখতে সুন্দর বা বেশি ফিচার আছে বলে স্মার্টওয়াচকে শিশু নিরাপত্তার জন্য প্রথম পছন্দ করা ঠিক হবে না।কেনার সময় শুধু দাম দেখবেন না বাংলাদেশের বাজারে ৭০০ থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যেও কিছু ‘জিপিএস ট্র্যাকার’ দেখা যায়। আবার ৩ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকার ডিভাইসও আছে।কিন্তু কম দামের প্রতিটি ডিভাইস যে একই মানের লোকেশন দিতে পারবে, এমন নয়। কিছু ডিভাইসের নামের মধ্যে জিপিএস থাকলেও বাস্তবে জিপিএস, এলবিএস, ওয়াইফাই পজিশনিং—সব একসঙ্গে ব্যবহার করে। আবার কিছু পণ্য মূলত গাড়ির জন্য তৈরি।শিশুর জন্য কেনার ক্ষেত্রে তাই এসব বিষয় আগে দেখুন—ফোর-জি বা বর্তমান মোবাইল নেটওয়ার্ক সমর্থন করে কি নাজিপিএসের পাশাপাশি অন্য পজিশনিং ব্যবস্থা আছে কি নাব্যাটারি বাস্তবে কতক্ষণ চলেলোকেশন কত ঘন ঘন আপডেট হয়লোকেশন হিস্ট্রি রাখা যায় কি নাজিওফেন্স অ্যালার্ট আছে কি নাএসওএস বোতাম আছে কি নাডিভাইসটি কত ছোট ও হালকাপানি ও ঘাম থেকে সুরক্ষা আছে কি নাকোন অ্যাপ ব্যবহার করতে হয় এবং সেটি নিয়মিত আপডেট হয় কি নাসিম ও ডেটা ব্যবহারে আলাদা খরচ আছে কি নাডিভাইসটি বাংলাদেশে বৈধভাবে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন পেয়েছে কি নাজিপিএস ট্র্যাকার ছাড়াও কি প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায়? হ্যাঁ। তবে কোন প্রযুক্তি কী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি বোঝা জরুরি।ব্লুটুথ ট্র্যাকারঅ্যাপল বলছে, ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্কে এক বিলিয়নের বেশি অ্যাপল ডিভাইস যুক্ত আছেএয়ারট্যাগ বা অ্যান্ড্রয়েডের ফাইন্ড হাব–সমর্থিত ট্র্যাকারের মতো ডিভাইস খুব ছোট এবং ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এয়ারট্যাগ নিজে মোবাইল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় না; এটি ব্লুটুথ সংকেত পাঠায়, আশপাশের অ্যাপল ডিভাইস সেই সংকেত শনাক্ত করলে লোকেশন ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্কে পাঠাতে পারে। অ্যাপল বলছে, ফাইন্ড মাই নেটওয়ার্কে এক বিলিয়নের বেশি অ্যাপল ডিভাইস যুক্ত আছে।অ্যান্ড্রয়েডের ফাইন্ড হাব ও ব্লুটুথ ট্র্যাকার ট্যাগের অবস্থান আশপাশের অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের নেটওয়ার্কের মাধ্যমে খুঁজে পেতে পারে।তবে শিশুর জন্য এটিকে ফোর-জি জিপিএস ট্র্যাকারের সরাসরি বিকল্প ভাবা ঠিক হবে না। কারণ, এটি সাধারণত নিজে থেকে নিয়মিত জিপিএস লোকেশন পাঠায় না। আশপাশে উপযুক্ত ডিভাইস থাকা এবং নেটওয়ার্কে সেই তথ্য পৌঁছানোর ওপর নির্ভর করে। গুগল নিজেও ট্র্যাকার ট্যাগকে মূলত চাবি, লাগেজ, বাইক ইত্যাদি জিনিস খুঁজে পাওয়ার উপযোগী পণ্য বলে।স্মার্টফোনছোট শিশুদের ক্ষেত্রে আবার হাতে ফোন তুলে দেওয়া সব সময় বাস্তবসম্মত নয়বড় শিশুদের ক্ষেত্রে নিজের ফোনই একটি লোকেশন শেয়ারিং ডিভাইস হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে ফোনের ব্যাটারি শেষ হয়ে যাওয়া, ফোন হারানো বা বন্ধ করে রাখা—এসব সমস্যা আছে। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে আবার হাতে ফোন তুলে দেওয়া সব সময় বাস্তবসম্মত নয়।জিওফেন্সিংজিওফেন্স আলাদা কোনো হার্ডওয়্যার নয়; জিপিএস ট্র্যাকার বা ফোনের ওপর চালানো একটি সফটওয়্যার ফিচারএটি আলাদা কোনো হার্ডওয়্যার নয়; জিপিএস ট্র্যাকার বা ফোনের ওপর চালানো একটি সফটওয়্যার ফিচার। অভিভাবক নির্দিষ্ট একটি এলাকা, যেমন স্কুল বা বাসা, নির্ধারণ করে দিতে পারেন। শিশু সেই এলাকার বাইরে গেলে অ্যালার্ট আসতে পারে।স্কুল বা পরিবারের নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থাসিসিটিভি ক্যামেরা এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেপ্রযুক্তির পাশাপাশি স্কুলে প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় পরিচয় যাচাই, অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া শিশুকে অন্য কারও সঙ্গে না পাঠানো, নিরাপদ পিক-আপ ব্যবস্থা, সিসিটিভি এবং জরুরি যোগাযোগের ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ট্র্যাকার এসব ব্যবস্থার বিকল্প নয়।ট্র্যাকার কোথায় রাখা হবে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণশিশুর নিরাপত্তার জন্য ট্র্যাকার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া যায়—ডিভাইসটি যেন যতটা সম্ভব চোখের আড়ালে থাকেশিশুর নিরাপত্তার জন্য ট্র্যাকার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া যায়—ডিভাইসটি যেন যতটা সম্ভব চোখের আড়ালে থাকে।হাতে বড় ও আকর্ষণীয় স্মার্টওয়াচ পরিয়ে দিলে শিশুর সঙ্গে একটি মূল্যবান ডিভাইসও দৃশ্যমান হয়ে যায়। বরং ছোট, হালকা এবং স্বাভাবিক পোশাক বা ব্যবহারের সঙ্গে মিশে যায়, এমন ডিভাইস বিবেচনা করা যেতে পারে।তবে ট্র্যাকার এমন জায়গায় রাখা উচিত নয়, যেখানে তা শিশুর শরীরে আঘাত করতে পারে, শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বা সহজে হারিয়ে যেতে পারে।শিশুকে জানিয়ে রাখা ভালো যে তার সঙ্গে একটি নিরাপত্তা ডিভাইস আছে এবং সেটি কীভাবে ব্যবহার করতে হবে। নিরাপত্তার নামে শিশুর কাছেও বিষয়টি পুরোপুরি গোপন রাখা প্রয়োজন নেই।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা জিপিএস ট্র্যাকার শিশুকে নিরাপদ রাখার জাদুকরি কোনো যন্ত্র নয়। এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর।ডিভাইসটি কাজ করবে তখনই, যখন এর ব্যাটারি আছে, নেটওয়ার্ক আছে, অবস্থান নির্ণয় করতে পারছে এবং সেই তথ্য নিরাপদভাবে অভিভাবকের কাছে পৌঁছাচ্ছে। ঘরের ভেতর বা উঁচু ভবনের এলাকায় অবস্থান নির্ভুলতাও কমতে পারে।তাই শিশুর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো একাধিক স্তরের ব্যবস্থা রাখা—শিশুকে প্রয়োজনীয় সচেতনতা শেখানো, নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা, জরুরি যোগাযোগের ব্যবস্থা রাখা এবং প্রয়োজন হলে একটি ছোট, নির্ভরযোগ্য ট্র্যাকার ব্যবহার করা।ট্র্যাকার থাকলে অন্তত একটি প্রশ্নের উত্তর দ্রুত পাওয়া যেতে পারে, ‘আমার সন্তানকে শেষ কোথায় দেখা গেছে?’নিখোঁজ হওয়ার মতো জরুরি পরিস্থিতিতে এই তথ্যটুকুও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।সূত্র: জিপিএস ডটগভ, অ্যাপল, ইজিট্র্যাক্স বাংলাদেশ, হোকো বাংলাদেশ ও বিডিস্টলশিশু নিখোঁজ হলে সবার আগে যা করবেন
বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।
সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।
-
বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম - The Daily Ittefaq
-
এমপি নজরুলের রিমান্ড শুনানিতে যা হল - bdnews24.com
-
‘কালকে ৫০০ দিয়ে ঢাকায় আসছিলাম, এখন ১০০ টাকা বেশি ভাড়া নিল’
-
২০০ মিটার বাটারফ্লাইয়ে ১৩ বছরের চীনা সাঁতারু ইউ জিদির চমক | খেলাধুলা | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) - Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)
-
টাটা অ্যারিস: এই সেডান গাড়ির দাম মাত্র ৬ লাখ - Dhaka Mail
-
রাজশাহীতে পদ্মার পানিতে ফসলের ক্ষতি
-
মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিল ট্রান্সকম বেভারেজেস
-
মোদির জন্মদিনে প্রদীপ না জ্বালানোয় জরিমানা
-
শিশুর অবস্থান জানতে কোন ধরনের জিপিএস ট্র্যাকার ব্যবহার করতে পারেন, জানুন বিস্তারিত
-
জার্মানিতে কোণঠাসা মার্জ়ের দল! বার্লিনের ভোটে জয়ী অতিবামপন্থীরা, আরও একটি প্রদেশ গেল অতিদক্ষিণপন্থীদের দখলে - Anandabazar Patrika
-
গাজী নজরুলের বিষয়ে স্পিকারের কাছ থেকে এখনো চিঠি পায়নি নির্বাচন কমিশন: ইসি সচিব
-
কোন লিগে কারা এগিয়ে, চ্যাম্পিয়নরা কে কোথায়
-
টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যান হত্যা মামলায় খান পরিবারের সন্তানসহ ৩ জনের ফাঁসি
-
খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে হত্যা: বিচারের দাবিতে আড়াই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ–বিক্ষোভ
-
এশিয়ান গেমস কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারাল বাংলাদেশ - karatoa.com.bd