বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

কুমিল্লা বোর্ডে এইচএসসিতে ১৫ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

ডেক্স রিপোর্ট,নাগরিক খবর
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৪:২৮ পিএম
৬৮০ Shares

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন শিক্ষার্থী।



শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, কুমিল্লা বোর্ডে মোট ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৪ হাজার ৭২৭ জন।


কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবার পরীক্ষার ফলাফল সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ইআইআইএন ব্যবহার করে এবং পরীক্ষার্থীরা মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল জানতে পারছেন।

বোর্ডের ফলাফলে দেখা গেছে, এবারও ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা ভালো ফল করেছেন। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৫ হাজার ৪৩৪ জন ছাত্রীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৮ হাজার ৪১৫ জন। অন্যদিকে, ৩৬ হাজার ৭২৮ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ১৫ হাজার ৮৫৭ জন।


এবার কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে, ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।



গত বছর কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ। সে বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২ হাজার ৭০৭ জন। অর্থাৎ, এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুটিই কমেছে।


পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ইংরেজি ও উচ্চতর গণিতে ফেলের হার বেশি হওয়ায় এবার বোর্ডের সার্বিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে।


এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৭ হাজার ৬৪৯ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৯ জন। সারা দেশে ২ হাজার ৭৬০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।


চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। ৮ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হলেও বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। পরে স্থগিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা শেষ হয়।


শনিবার ফল প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পরপরই শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে ফলাফল দেখতে পারেন।


চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। ৮ আগস্ট পরীক্ষা শেষ হলেও বন্যার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। পরে স্থগিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে ৯ সেপ্টেম্বর পরীক্ষা শেষ হয়।