রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে চুয়েটের ৯ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
৮৭ Shares
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৯ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৯ শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা সবাই ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের। তাঁদের মধ্যে আটজন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের এবং একজন কম্পিউটারবিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী। আজ রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পৃথক ৯টি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১২ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১১টার দিকে কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থীকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে বিভিন্নভাবে অপমান ও হেয় করা হয়। এ সময় তাঁদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। একই ধরনের ঘটনা ২ সেপ্টেম্বরও ঘটেছিল বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ৯ শিক্ষার্থীর সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী এ ধরনের কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য অপরাধ।নোটিশে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। ২৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার মধ্যে ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক মো. সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘র‍্যাগিং ও মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।