রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, সাবেক জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
৭৮ Shares
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনা

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষণের ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলা দায়ের করার পর গতকাল শনিবার রাতে আলমগীরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার আলমগীর উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ছিলেন। তবে ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ২০২২ সাল পর্যন্ত আলমগীর জামায়াতের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলীয় কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন।নির্যাতনের শিকার শিশুর স্বজনেরা জানান, আলমগীর ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি কাউকে জানালে শিশুটিকে তিনি হত্যা করবেন বলে হুমকি দেন। তবে বাড়িতে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনেরা বিষয়টি জানতে পারেন।বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামসুজ্জামান বলেন, ওই ব্যক্তি জামায়াত নেতা কি না তা তিনি জানেন না। একটি শিশুকে ধর্ষণের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, আজ রোববার দুপুরে গ্রেপ্তার আলমগীরকে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়। আদালত শুনানি শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।