সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

ছাগলু–একটি থ্রিলার ড্রামা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৬ এএম
১৫৩ Shares
নাসির নামের এক ডানপিটে ছেলে এলাকার সবাইকে দুশ্চিন্তায় রাখে। কখনো পাড়ার মির্জা সাহেবের গাছ থেকে ডাব পেড়ে খায়, আবার কখনো বিভিন্ন প্রভাবশালীর সঙ্গে রে

নাসির নামের এক ডানপিটে ছেলে এলাকার সবাইকে দুশ্চিন্তায় রাখে। কখনো পাড়ার মির্জা সাহেবের গাছ থেকে ডাব পেড়ে খায়, আবার কখনো বিভিন্ন প্রভাবশালীর সঙ্গে রেজ-বেইট, মানে রেষারেষি করে বেড়ায়। তবু সোয়্যাগ স্বভাবের জন্য সে হয়ে উঠেছিল এলাকার নায়ক। কিন্তু নাসিরের ছিল এক গোপন পাগলামি, অথবা বলতে পারেন, ছাগলামি। ছাগল দেখলেই কী যেন হয়ে যেত তার! বিশেষ করে, পূর্ণিমা রাত এলেই খাসির রেজালা খাওয়ার জন্য উতলা হয়ে উঠত। ছাগল নিয়ে পাগলামির জন্য বন্ধুরা তাকে ডাকত ছাগল-পাগলু, আর প্রেমিকা ডাকত ছাগলু!‎কিন্তু একদিন বদলে গেল অনেক কিছু! প্রেমিকার বাড়ির ছাগলটাই চুরি করে খেয়ে ফেলল নাসির। আর সেই ছাগল নাকি উপহার দিয়েছিলেন চেয়ারম্যান নজরুল সাহেব। গল্প নিল নয়া বন্দোবস্ত, মানে নতুন মোড়। একদিকে প্রেম, অন্যদিকে ছাগলের প্রতি অতিপ্রাকৃত অবসেশনের এই টানাপোড়েন নিয়ে থ্রিলার ড্রামা ‘ছাগলু’।হরেক রকম মিঁয়াওরাষ্ট্রপতি নির্বাচন বাংলাদেশের খনিজ সম্পদউগান্ডার রাষ্ট্রপতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি‎যেসব কারণে ইউনিক‎— ছাগল চুরির দৃশ্যগুলো মন ভরানো সোয়্যাগ এবং ধুম-টু টাইপ অ্যাকশনে পরিপূর্ণ।— কিছু সংলাপ আজীবন মনে রাখার মতো, যেমন— ‘পাগল তো অনেকেই হয়, তোমার প্রেমে আমি ছাগল হয়েছি, ছাগল!’ ‎‘আমি ছাগলের চাইর নাম্বার বাচ্চা, আমারে মারতে পারবে না কোনো *** বাচ্চা!’‎— ‘ছাগলু... থোড়াসা কারলে রোম্যান্স’, ‘সানডে দিলাম ব্ল্যাক বেঙ্গলকে, মানডে দিলাম রামছাগলকে...’, ‘ছাগল ছাড়া দুনিয়া চলে না...’ এমন কিছু মনমাতানো গান আছে।— ছাগল চরিত্রে ছাগলের অভিনয় মন ছুঁয়ে যাবে। বিশেষ করে ম্যা–এ–এ... বলে যখন সে দৌড়ে চলে যায়।‎সতর্কতা‎কারও পোষা ছাগল থাকলে সিনেমাটি দেখতে যাবেন না, মন খারাপ হবে।

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।