সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বিজ্ঞাপন | আর্টিকেল টপ

আমাদের নিউজ পোর্টালে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন →

ঘরেই বানান পিনাট বাটার, রেসিপি দেখুন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:১৪ পিএম
১২৮ Shares
ঘরেই খুব সহজে ক্রিমি পিনাট বাটার বানানো যায়। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে চিনাবাদামটা ভালো করে ভাজা থাকা জরুরি।উপকরণচিনাবাদাম : ২ কাপলবণ: সোয়া চা-চামচ বা স্বাদ

ঘরেই খুব সহজে ক্রিমি পিনাট বাটার বানানো যায়। সবচেয়ে ভালো ফল পেতে চিনাবাদামটা ভালো করে ভাজা থাকা জরুরি।উপকরণচিনাবাদাম : ২ কাপলবণ: সোয়া চা-চামচ বা স্বাদমতোমধু/চিনি (ঐচ্ছিক): ১–২ চা-চামচচিনাবাদামের তেল/সয়াবিন তেল: ১–২ চা-চামচযেভাবে বানাবেন১. চিনাবাদাম ভাজুনশুকনা কড়াইয়ে মাঝারি আঁচে ৫–৮ মিনিট চিনাবাদাম ভাজুন। হালকা বাদামি রং ও সুন্দর গন্ধ বের হলে নামিয়ে নিন। পুড়িয়ে ফেলবেন না।২. খোসা ছাড়ানঠান্ডা হলে হাত দিয়ে ঘষে খোসা ছাড়িয়ে নিন।৩. ব্লেন্ড করুনফুড প্রসেসর বা শক্তিশালী ব্লেন্ডারে চিনাবাদাম দিয়ে প্রথমে ২–৩ মিনিট ব্লেন্ড করুন। শুরুতে এটি গুঁড়ো হবে, এরপর দলা বাঁধবে এবং ধীরে ধীরে তেল বের হয়ে পেস্টের মতো হবে।ভালোভাবে ভাজা চিনাবাদাম ব্লেন্ড করতে থাকলে নিজের তেলই বের হয়ে বেশ ক্রিমি পিনাট বাটার তৈরি করে৪. মসৃণ করুনআরও ২–৫ মিনিট ব্লেন্ড করুন। মাঝেমধ্যে মেশিন বন্ধ করে পাশে লেগে থাকা চিনাবাদাম নিচে নামিয়ে দিন।৫. স্বাদ ঠিক করুনলবণ ও মধু/চিনি দিন। আরও একটু ব্লেন্ড করুন। খুব ঘন মনে হলে ১ চা-চামচ করে তেল যোগ করতে পারেন।৬. জারে রাখুনপরিষ্কার, শুকনা কাচের বয়ামে ভরে রাখুন।একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শতেল আলাদা করে দেওয়ার আগে একটু ধৈর্য ধরুন। ভালোভাবে ভাজা চিনাবাদাম ব্লেন্ড করতে থাকলে নিজের তেলই বের হয়ে বেশ ক্রিমি পিনাট বাটার তৈরি করে।ছোলার ডালের বরফির রেসিপি

বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।

বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।

সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।